পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারি তদন্তে বাজারের উত্থান-পতনে ঘুরেফিরে গুটিকয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম বেরিয়ে এসেছে। জোরালোভাবে এসেছে সরকারি প্রতিষ্ঠান আইসিবির নাম। প্রতিষ্ঠানটি একাই সাতটি অমনিবাস অ্যাকাউন্টে শত শত কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন করে। তদন্তে দৈবচয়নের মাধ্যমে তিনটি মার্চেন্ট ব্যাংকের কয়েকজন শীর্ষ হিসাবধারীর অ্যাকাউন্ট (অমনিবাস) পরীক্ষা করে লেনদেনের অনিয়ম পাওয়া যায়। এসব হিসাবে মোসাদ্দেক আলী ফালু, ডা. এইচ বি এম ইকবাল, মুনিরউদ্দিন আহমদ, ইয়াকুব আলী খন্দকার, লুৎফর রহমান বাদলসহ অনেক খ্যাত-অখ্যাত ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে এদের বলা হয়েছে ‘খেলোয়াড়’।
তদন্ত প্রতিবেদনে ৩০ জন শীর্ষ ‘খেলোয়াড়ের’ নাম উল্লেখ করে বলা হয়, এঁরা সেকেন্ডারি পুঁজিবাজার ও প্রাক আইপিওর আকাশচুম্বী মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলেন। প্রতিবেদন মতে, সব উত্থান-পতনের সময়ই শীর্ষ ১৫-১৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাওয়া গেছে, যারা বাজারের বড় অংশ লেনদেন করেছে। ২০০৯ সালের অক্টোবর-নভেম্বর মাসে যখন সূচক ২৮০০ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ৪৫০০ হয়েছিল, তখন তাঁরা শীর্ষ খেলোয়াড় ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানসহ কয়েকজনের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ঠিক আগের দিন ২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি স্বর্ণা ও চায়না ইরি জাতের যে মোটা চালের কেজি ছিল ২৭ টাকা, গতকালের বাজারে তা বিকিয়েছে ৩৬ টাকায়। একই সময়ের ব্যবধানে নাজিরশাইল ও মিনিকেটের মতো সরু চালের দাম ৩৩ টাকা থেকে বেড়ে গতকালের বাজারে বিকিয়েছে ৫২ টাকা কেজি দরে। সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি’র তথ্যে চালের মূল্যবৃদ্ধির এ পরিসংখ্যান রয়েছে। আর আজ থেকে ঠিক ৫ বছর আগে ২০০৬ সালের ৭ এপ্রিল মোটা চাল বলে পরিচিত স্বর্ণা ও চায়না ইরির দাম ছিল ১৭ টাকা কেজি। আর উন্নতমানের নাজির ও মিনিকেট চালের কেজি ছিল ২২ টাকা। চালের বাজারদর পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত ৫ বছরে চালের দাম দ্বিগুণেরও বেশি প্রায় আড়াইগুণ বেড়েছে। সরকারি হিসাবের বাইরে গতকাল সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বাজারে দুর্গন্ধমুক্ত মোটা চাল ৩৭/৩৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভালো মানের মিনিকেট ও নাজিরশাইল ৫৮ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেটজাত মিনিকেট ৬০ টাকা কেজিও আছে। টিসিবির হিসাবে উন্নতমানের নাজির ও মিনিকেট চাল গতকাল বিকিয়েছে ৫২ টাকা দরে, যা এক মাস আগেও একই দাম ছিল। এক বছর আগে ছিল ৪৪ টাকা কেজি। ১/১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মাঝখানে মোটা চালের দাম বেড়ে ২০০৮ সালে ৩৬ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও ওই সরকার বিদায় নেয়ার আগেই দাম অনেক কমে। তারা ক্ষমতা ছাড়ার দিন ২৭ টাকা কেজিতে দাঁড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় দাম কমে ২০০৯ সালের শেষদিকে মোটা চালের কেজি ২২ টাকায় পৌঁছলেও সরকারের বছর না ঘুরতেই দাম বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে তা জরুরি শাসনামলকেও ছাড়িয়ে যায়। একইভাবে বর্তমান সরকারের আমলে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মাঝারি ও সরু চালের দাম। চালের পাশাপাশি জরুরি নিত্যপণ্য হিসেবে ঘোষিত সব পণ্যের দামই বর্তমান সরকারের আমলে অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত মাসে সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রীর দেয়া প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বর্তমান সরকারের প্রথম দুই বছরে জরুরি নিত্যপণ্যের দাম সর্বনিম্ন ৩২ থেকে সর্বোচ্চ ৪৩৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
টিসিবি’র তথ্যে দেখা যায়, গত ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ঢাকার বাজারে মোটা চাল ৩৮ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। যারা নিয়মিত বাজার করেন তারা জানিয়েছেন, ওই সময় মোটা চালের কেজি ৪০ টাকায় পৌঁছে ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৩১ মার্চ গফরগাঁওয়ে এক জনসভায় বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলে চালের কেজি ৪০ টাকা, বিএনপি থাকলে ৯০ টাকা হতো। নির্বাচনের আগে ১০ টাকা কেজিতে চাল খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতির কথা তিনি বেমালুম অস্বীকার করে চলেছেন। যদিও প্রধানমন্ত্রীর ওই প্রতিশ্রুতির ভিডিওচিত্র, একাধিক পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট এরই মধ্যে পুনঃপ্রকাশিত ও প্রচারিত হয়েছে, তাতে তার ওই বক্তব্যের প্রমাণ রয়েছে।

গৃহস্থালি কাজের জন্য পাইপলাইনে নতুন করে গ্যাস সরবরাহ না করার পুরনো সিদ্ধান্ত বহাল রাখবে সরকার। এর পরিবর্তে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলপিজি) সুলভ ও সহজলভ্য করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। নতুন গ্যাস পাওয়া গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তা শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রায়ত্ত তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ সংস্থা (পেট্রোবাংলা) কর্র্তৃপক্ষ গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানায়।
২০০৯ সাল থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে বাসাবাড়িতে গ্যাস সংযোগ দেওয়া বন্ধ রয়েছে। সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখার সরকারের নীতিগত এই অবস্থানের ফলে আবাসিক গ্রাহকদের অদূর ভবিষ্যতে সংযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা আরো কমে গেল।
পেট্রোবাংলার সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গ্যাসের চলমান সংকটের কারণে পাইপলাইনে নতুন করে গৃহস্থালিকাজের জন্য সংযোগ দেওয়া হবে না। এর পরিবর্তে জনগণের চাহিদা মেটাতে এলপিজির সরবরাহ বাড়ানো এবং দাম কমানো হবে। ব্যবহার বাড়াতে এলপিজির দাম কমানোতে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
রাজধানীর কারওয়ানবাজারে পেট্রো সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘পেট্রোবাংলার সাফল্য ও কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, এলপিজির দাম কমাতে শুল্ক হ্রাসসহ সব ধরনের উদ্যোগ নেবে সরকার।
গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকায় রাজধানীসহ সারা দেশে কয়েক লাখ মানুষ বাড়ি তৈরি করে সেগুলোতে উঠতে পারছে না। শুধু আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের সদস্যভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাঁচ হাজার ফ্ল্যাট গ্যাস সংযোগের অভাবে হস্তান্তর করা যাচ্ছে না।
গতকাল পেট্রোবাংলার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক ও জ্বালানি সচিব মেজবাহউদ্দিন বক্তব্য দেন। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান অধ্যাপক হোসেন মনসুর সংস্থার সাফল্য ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।

নীলফামারী ডিমলার গ্রামাঞ্চলের মানুষ বিদ্যুত্ না পেয়ে সৌরবিদ্যুতের আলোয় আলোকিত করেছে তাদের বাড়িসহ গ্রাম এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সড়ক যোগাযোগ হতে বিছিন্ন থাকা বিদ্যুিবহীন টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের কুপি আর হারিকেনের আলো জ্বালিয়ে অন্ধকারে পড়ে থাকা মানুষগুলোর বাড়িতে এখন সৌরবিদ্যুতের আলো ঝিলমিল করছে। হাট-বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ হচ্ছে গভীর রাত পর্যন্ত। বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে তারা সৌরবিদ্যুত্ প্যানেল কিনেছে। ফলে বিদ্যুত্ সুবিধা পেলেও এনজিওর ঋণ পরিশোধ করতে তারা আজ হিমশিম খাচ্ছে।
নীলফামারী জেলা সদর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে ডিমলা উপজেলার যোগাযোগবিহীন প্রত্যন্ত ইউনিয়ন খালিশাচাপানী টেপাখড়িবাড়ি ও পূর্বছাতনাই। আধুনিক প্রায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এই এলাকার মানুষ। এখানকার বেশিরভাগ মানুষই তিস্তা নদী থেকে মাছ ধরে ও নদীর তলদেশ থেকে পাথর তুলে জীবিকা নির্বাহ করে। বছরের ৯ মাসই বন্যার পরে বালুচর হয়ে ভেসে ওঠা জমিতে কোনো ফসল ফলে না। বর্ষা ও শুকনো মৌসুমটা কাটে প্রায় একই রকম। ধু-ধু বালুচরে অনেক কষ্টে ভূট্টা, পেঁয়াজ, রসুন, গম ও টমেটো চাষ করে কৃষকরা। সন্ধ্যার পর গ্রামের মানুষ ঘরবন্দি হয়ে পড়ে। রাত যত বাড়ে ততই এ তিন ইউনিয়নের গ্রাম আর হাট-বাজারগুলো অন্ধকারে এক ভুতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এখন ওই তিন ইউনিয়নের কমপক্ষে ৫০টি গ্রাম সৌরবিদ্যুতের আলোয় ঝলমল করছে। সরকারি বিদ্যুত্ সরবরাহ ছাড়াও তারা রেডিও, টিভি ও মোবাইলের মাধ্যমে এখন দেশ-বিদেশের খবর শুনতে পারছেন।
টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের পূর্বখড়িবাড়ি গ্রামের কোরবান আলীর স্ত্রী হাজেরা খাতুন, রফিকুল ইসলামের স্ত্রী বানেচা খাতুন, তিস্তা বাজারের রমজান আলীর ছেলে সিদ্দিকুল আলমসহ অনেকেই জানিয়েছেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচনের সময় এলাকায় বিদ্যুতায়নসহ অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নেয়। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পরে তারা সেই প্রতিশ্রুতির কানাকড়িও বাস্তবায়ন করে না। স্বাধীনতার ৪০ বছর পার হলেও এই এলাকায় বিদ্যুতায়ন হয়নি। এ কারণে অন্ধকারে না থেকে নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন এনজিওর কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে তারা কিনেছে সৌরবিদ্যুত্ প্যানেল। যার যতটুকু সামর্থ্য তারা সেভাবেই নিয়েছে সৌরবিদ্যুতের সংযোগ। সৌরবিদ্যুত্ না পেলে যোগাযোগবিহীন এলাকায় কুপির তেল কিনতে যেতে হতো প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে। এলাকাবাসী জানান, এ এলাকায় বিদ্যুতের জন্য তারা স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বারদের কাছে অনেকবার ছুটে গেছেন কিন্তু কাজ হয়নি। এদিকে উপকূলীয় বা চরাঞ্চলের মানুষের ঘরে সৌরবিদ্যুত্ সংযোগে ব্যাংক থেকে ঋণ দেয়ার নিয়ম থাকলেও এসব মানুষের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি।

শচীন টেন্ডুলকারের বাবা স্বর্গীয় রমেশ টেন্ডুলকার তাঁর ছেলের নাম রেখেছিলেন সুরের জাদুকর শচীন দেব বর্মণের নামে। শচীন দেব বর্মণ ও রমেশ টেন্ডুলকার দুজনেই স্বর্গবাসী হয়ে বেঁচেছেন, ধরাধামে থাকলে নির্ঘাত লজ্জায় মুখ লুকাতেন। কারণ দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং কোচ ভিনসেন্ট বার্নস যে তাঁর আদরের কুকুরের নাম রেখেছেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যানের নামে! সাধারণ চোখে কাজটা ধৃষ্টতার শামিল হলেও বার্নস বলছেন, টেন্ডুলকারের ব্যাটিং তাঁর খুব প্রিয় বলেই এই কাজটি করেছেন তিনি, ‘সে হচ্ছে অতিমানব এবং যেকোনো কিছু করতে পারে।’ তবে বিশ্বকাপে নিজের ‘শচীন’কে পাশে পাচ্ছেন না বার্নস, ‘শচীন আমার সঙ্গে নেই, তাকে খুব মিস করছি। এত ঘুরে বেড়ানোর মধ্যে তাকে সঙ্গে রাখতে পারতাম না আর দেশেও তার যত্ন নেওয়ার অনেক লোক আছে।’ অবশ্য বিখ্যাত লোকের নামে কুকুরের নাম রাখানতুন ঘটনা নয়। আমির খান তাঁর কুকুরের নাম রেখেছিলেন শাহরুখ। এই নিয়ে একসময় কম ‘জলঘোলা হয়নি’। টাইমস অব ইন্ডিয়া

Mushfiq ready to spoil Irish party

Posted: February 24, 2011 in Uncategorized

Ireland wicketkeeper Niall O’Brien said his team is in Bangladesh to spoil the ICC Cricket World Cup party by defeating the Tigers on Friday at Sher-e-Bangla National Stadium, but his Bangladesh counterpart Mushfiqur Rahim believes no such will happen.

“They are a good team and we know that if they play up to their potential then they can beat any team in the world. But we will try to ruin their parade rather than letting them spoil ours,” said Mushfiq.

Bangladesh now needs to seal at least four out of five remaining group matches to make it to the next level in the tournament playing against top flight teams like England, West Indies and South Africa and two associates team, Ireland and Netherlands. Though most of the associates failed to impress in their respective matches it was Netherlands that caught attention with their impressive performance against England.

“In a big tournament like World Cup, all the teams aim to perform well, doesn’t matter even if it is even an associate country. The associates had to prove themselves and then get into this tournament. So I think they will always be trying to perform like Netherlands did against England but we are not worried rather we are focused,” commented Mushfiq.

Posted: February 8, 2010 in Uncategorized

@ wordpress admin….How can I add any website links in my page ‘WEBLINK’? Plz…explain in details. I tried but fail…